জ্ঞান সারমর্ম

জিগজ্যাগ প্রক্রিয়ার সুবিধা কি?

প্রচলিত অন্য ইটভাটা থেকে NDZK ভাটার তিনটিমূলপার্থক্যরয়েছে।

  1. এই ধরনের ইটভাটায় তুলনায় কম জ্বালানীর প্রয়োজন হয়
  2. কম জ্বালানী পোড়ায় দূষণও কম হয়।

যেহেতু ইটের গুণগত মান উন্নত হয় তাই ভাটা মালিকের উপার্জন বেশি হয়।

Advertisement

এই ভাটায় জ্বালানির সাশ্রয় কতটা হয়?

NDZK বা আঁকাবাঁকা পথের ইটভাটা যদি সব নিয়ম মেনে তৈরি হয় তবে তাতে 20 থেকে 30 শতাংশ জ্বালানী বাঁচে। যদি কোনও NDZK প্রযুক্তির ভাটায় বছরে 50 লক্ষ ইট তৈরি হয়, তবে বছরে 150 থেকে 200 টন কয়লা বাঁচে। এর ধরণের ভাটায় বছরে সাড়ে সাত লক্ষ টাকা থেকে কুড়ি লক্ষ টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় হতে পারে।

Advertisement

NDZK প্রযুক্তির ভাটায় ইটের গুণগত মান কতটা বাড়ে?

সাবেকি ভাটায় তৈরি হওয়া ইটের 50-60 শতাংশ প্রথম শ্রেণির ইট। নতুন প্রযুক্তির ভাটায় উৎপন্ন ইটের 80 থেকে 90 শতাংশই প্রথম শ্রেণির ইট। বছরে 50 লক্ষ ইট তৈরি হলে নতুন প্রযুক্তির ইটে বাড়তি 10 থেকে 15 লক্ষ প্রথম শ্রেণির ইট তৈরি হয়। প্রথম শ্রেণির ইটের বাজারে চাহিদা বেশি। তা বেশি বিক্রি হয়। ইট বেশি হলে ভাটামালিকের আয় ও বেশি হয়।

নতুন প্রযুক্তির ভাটায় দূষণ কতটা কমে (ভাসমান ধূলিকণা বা সাসপেন্ডেড পারটিকুলেটম্যাটার বা SPM নিঃসরণ কতটা নিয়ন্ত্রিত হয়)?

সাবেক ভাটাগুলিতে প্রতি ন্যানোঘনমিটার চিমনি নির্গত ধোয়ায় 150 থেকে 1250 মিলিগ্রাম ভাসমান ধূলিকণা নির্গত হয়। নতুন প্রযুক্তির ইটভাটায় চিমনি থেকে নির্গত ওই একই পরিমাণ ধোয়ায় ধূলিকণার পরিমাণ 30 থেকে 250 মিলিগ্রাম। চিমনি থেকে যে ধোয়া নির্গত হয় তার রঙ দেখেই দূষণের এই পার্থক্যটা চোখে পড়ে। সাবেক ভাটার চিমনির ধোয়ার রঙ সাধারণত কালো। আর নিয়ম মেনে তৈরি হলে নতুন প্রযুক্তির চিমনি নির্গত ধোয়ার রঙ হাল্কা খয়েরী।

আরও জ্ঞান সারমর্ম জন্য এখানে ক্লিক করুন এখানে ক্লিক করুন জিগজ্যাগ প্রক্রিয়ার সুবিধা কি? মেইন পেজে যাওয়ার জন্যClick here to go to User Home